বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে চুল পড়ে যাওয়া (hair falling) একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু আপনার বয়স যদি হয় ৩০ বছরের নিচে তবে চুল পড়া আপনার জন্য হতে পারে হতাশার কারণ। পুরুষের সৌন্দর্যের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে চুল আর তাই চুল পড়া রোধ এবং চুলের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই অনুচ্ছেদে পুরুষের চুল পড়ার কারণ, চুল পড়ার প্রতিকার এবং চুল পড়া প্রতিরোধে কার্যকরী উপায় সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ছেলেদের চুল পড়ার কারণ কি?

শরীরের অন্যান্য কোষের (Cell) মত চুলের কোষ মরে যাওয়া তথা চুল পড়া এবং নতুন চুল গজানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আমেরিকান একাডেমী অফ ডার্মাটোলজি (AAD) এর তথ্য অনুযায়ী একজন মানুষের দৈনিক ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টি চুল পড়ে যেতে পারে। তবে এর চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়ে যেতে থাকলে তা অস্বাভাবিক বলে বিবেচিত হবে।

নানাবিধ কারণে পুরুষের মাথার চুল অতিরিক্ত পরিমাণে পড়ে যেতে পারে। চুল পড়ার প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য এই সমস্যার কারণ জানা জরুরী। কারণ (Causes) অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চুল পড়া রোধ করা সম্ভব। যে সমস্ত কারণে অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়তে পারে তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • নিরামিষ আহার গ্রহণ বিশেষত খাবারের মধ্যে আমিষ ও আয়রনের অভাব
  • থাইরয়েডের সমস্যা 
  • মাথার তালুতে দাদ (Ringworm)
  • ফাংগাস সংক্রমণ (Fungal infection)
  • সোরিয়াসিস (Psoriasis)
  • দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা (Chronic Diseases) 
  • মানসিক চাপ (Mental stress)
  • কিছু কিছু ওষুধ সেবন (steroids, antidepressants, isotretinoin) 
  • বংশগত (Androgenetic alopecia)

ছেলেদের চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার কি?

ছেলেদের চুল পড়ার প্রতিকার

অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়ে যাওয়ার ফলে ব্যাপকভাবে সৌন্দর্যহানি ঘটে যার ফলে হীনমন্যতা সহ নানাবিধ মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। আর এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। কিছু কিছু ওষুধ (OTC medicine) রয়েছে যা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই চুল পড়া সমস্যা প্রতিকারে ব্যবহার করা যায়। যেমন:

  • Minoxidil যা বাহ্যিক ভাবে মাথার তালুতে লাগানোর একটি ওষুধ। ইহা চুল পড়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • Finasteride যা চুল পড়া কমাতে সহায়তা করে। মুখে সেবনের এই ট্যাবলেট টি ১ মিলিগ্রাম (1 mg) মাত্রায় দৈনিক ১ বার করে খেতে হবে।

শরীরের অন্যান্য রোগের কারণে চুল পড়তে থাকলে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও চুল পড়া রোধে আধুনিক চিকিৎসা হিসেবে রয়েছে Hair transplant surgery এবং লেজার থেরাপি। (

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

প্রাকৃতিক উপায়ে কিছু বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে চুল পড়া প্রতিকার ও প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিচে এমন কিছু কার্যকরী উপায় সমূহ তুলে ধরা হলো।

স্বাস্থ্যকর ডায়েট করুন 

শরীরের প্রত্যেকটা কোষের (চুলের কোষ সহ) জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন হয়। শরীরে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হলে সেক্ষেত্রে কম গুরুত্বপূর্ণ কোষ হিসেবে চুল যথাযথ পুষ্টি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। আর যার ফলে সহজেই চুল পড়ে যায়। তাই প্রত্যেক দিন পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। বিশেষত আমিষ (Protein) ও আয়রন (Iron) সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। চুলের জন্য বিশেষ ভাবে পুষ্টি যোগায় এমন কিছু খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হল।

স্বাস্থ্যকর ডায়েট

  • ডিম
  • মাছ (Fatty Fish)
  • মিষ্টি আলু (Sweet Potatoes)
  • অ্যাভোকাডো (Avocado)
  • বাদাম (বিশেষত কাঠবাদাম)
  • শস্যদানা (Seeds)
  • সয়াবিন ইত্যাদি

চুল পড়া বন্ধ করতে ভিটামিন-ই নিতে পারেন

ভিটামিন-ই চুল ও ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি পুষ্টি উপাদান। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথ (NIH of US) এর তথ্য অনুযায়ী ভিটামিন-ই (vitamin E) চুল পড়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। খাবার ও সাপ্লিমেন্ট থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। এছাড়াও বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ তেল পাওয়া যায়।

সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। কেননা অতিরিক্ত পরিমাণে অথবা দীর্ঘদিন ধরে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল সেবনের ফলে শরীরে নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায় হলো প্রাকৃতিক উৎস তথা খাবার থেকে ভিটামিন-ই গ্রহণ করা। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার গুলো হলো চিনাবাদাম, আখরোট, বাদাম, উদ্ভিজ্জ তেল, ডিমের কুসুম, গম, ব্রকলি, সয়াবিন, সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি।

নিয়মিত স্যাম্পু করা পরিহার করুন

মাথা পরিষ্কার করার জন্য স্যাম্পু ব্যবহার করা যেমন জরুরি তেমনি চুল পড়া বন্ধ করতে স্যাম্পুর ব্যবহার হওয়া উচিত পরিমিত। প্রতিদিন স্যাম্পু করা উচিত নয় কারণ তাতে মাথার ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ দিন‌ স্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। (Birch, n.d) তবে চুল পড়া রোধ করতে কিছু বিশেষ প্রকৃতির স্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন: ketoconazole shampoo, medicated shampoos etc. উল্লেখ্য এই ধরনের স্যাম্পু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

বেশিক্ষন চুল ভিজিয়ে রাখবেন না

গোসলের পরে চুল ভালো ভাবে মুছে ফেলতে হবে। বৃষ্টিতে ভিজে অথবা গোসলের পরে দীর্ঘসময় ধরে চুল ভিজিয়ে রাখা উচিত নয়। কারণ তাতে নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। যেমন:

  • চুল ভেজা থাকার ফলে জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যথা ও কাশির সমস্যা হতে পারে
  • মাথার ত্বকে ফাংগাস সংক্রমণ (Fungal infection) হতে পারে
  • ভেজা অবস্থায় চুলের গোড়া দুর্বল থাকে যার ফলে সহজেই চুল পড়ে যায়

আমলকির ব্যবহার 

চুলের যত্নে আমলকি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে কারণ আমলকিতে রয়েছে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান যা চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কাঁচা আমলকি চিবিয়ে খাওয়া যায় যা থেকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, আয়রন, ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।  এছাড়াও বাহ্যিক ভাবে আমলকি সমৃদ্ধ তেল অথবা ঘরোয়া উপায়ে আমলকির হেয়ার প্যাক রেসিপি ব্যবহার করা যায়।‌

রেসিপি:

কয়েকটি কাঁচা আমলকি পরিষ্কার করে ধুয়ে গ্রিন্ডারে (Grinders) চূর্ণ করে জুস বানিয়ে নিন। আমলকি জুসের সাথে সমপরিমাণে নারিকেল তেল মিশিয়ে একটি কড়াইয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ তাপ দিতে থাকুন। অতঃপর ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করুন যেন দ্রবণটি ভালো ভাবে ঠান্ডা হয়। দ্রবণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে মাথায় লাগিয়ে রাখুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট পরে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন দিন ব্যবহার করুন।

চুলের যত্নে অ্যালোভেরা

চুলের যত্নে অ্যালোভেরার (aloe vera) ব্যবহার বেশ প্রচলিত এবং প্রশংসনীয়। প্রাকৃতিক এই উপাদানটি চুলের জন্য নানাবিধ উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে । যেমন:

  • মাথার খুশকি দূর করতে সহায়তা করে
  • মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে বিশেষত ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করে
  • ভিটামিন এ, ই, সি, রয়েছে যা চুলের গোড়া শক্ত ও মজবুত করে
  • নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে

ব্যবহারের নিয়ম:

একটি সতেজ অ্যালোভেরা পাতা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। চামচ দিয়ে পাতার মধ্যে থাকা থকথকে জেলি (gel) সংগ্রহ করুন। অতঃপর মাথার ত্বকে জেলি লাগিয়ে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। ১ ঘন্টা পরে মাথা ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে এই পোস্টটা পড়ে আসুন

গ্রীন টি 

জনপ্রিয় পানীয় গ্রীন টি (green tea) চুল পড়া প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কারণ গ্রীন টি তে রয়েছে চুলের জন্য উপকারী উপাদান এন্টি অক্সিডেন্ট (antioxidants) ও ভিটামিন। নিয়মিত গ্রীন টি পান করার ফলে শরীরে হরমোনের সমস্যা জনিত চুল পড়া সমস্যার প্রতিকার হয়ে থাকে। (Davidson, 2019) দৈনিক সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ কাপ পরিমাণ গ্রীন টি পান করার ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এছাড়াও বাহ্যিক ভাবে চুলের যত্নে গ্রীন টি ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়।

ব্যবহারের নিয়ম:

গ্রীন টি ‌সমৃদ্ধ বিশেষ স্যাম্পু কিনতে পাওয়া যায় যা সাধারণ স্যাম্পুর মত করে ব্যবহার করতে হবে।
এছাড়াও রয়েছে গ্রীন টি কন্ডিশনার যা চুল ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে।
গরম পানিতে ২/৩ টি গ্রীন টি ব্যাগ মিশিয়ে চায়ের মত বানিয়ে কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

লেবুর রস 

লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড ও ভিটামিন সি যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী এই উপাদানটি চুলের যত্নে যে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে তা হলো।

  • মাথার অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব এবং খুশকি দূর করতে সহায়তা করে
  • চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে

 

ব্যবহারের নিয়ম:

তাজা লেবুর রস সংগ্রহ করুন। অতঃপর মাথার তালুতে লাগান। ১ ঘন্টা পরে মাথা ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাথায় লেবুর রস লাগিয়ে রোদে যাওয়া যাবে না। কারণ তাতে চুলের জন্য উপকারের পরিবর্তে বরং ক্ষতি হতে পারে, যেমন- মাথার ত্বকে প্রদাহ হতে পারে। এছাড়াও যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল তাদের জন্য মাথায় লেবুর রস ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

চুলের যত্নে তেল 

চুলের যত্নে তেল

চুলের যত্নে নিয়মিত তেল ব্যবহার করা জরুরী। তেল মাথার চুলকে মসৃণ রাখতে সহায়তা করে এবং বাইরে থেকে চুলের জন্য পুষ্টি জোগায়। তবে অতিরিক্ত রাসায়নিক উপাদান সমৃদ্ধ তেল ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং বিশুদ্ধ নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল ব্যবহার করা উত্তম। নারিকেল তেলে রয়েছে এন্টি ফাংগাল গুণাবলী যা মাথায় দাদ ও খুশকি দূর করতে সহায়তা করে। আর অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের মসৃণতা বৃদ্ধি করে।  নারিকেল তেল ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়।

পাতলা চুল ঘন করার উপায়

চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বলতে মাথায় চুলের পরিমাণ কমে যাওয়া বোঝায়।
এটি সাধারণত বয়স বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ, তবে অনেকের ক্ষেত্রে বয়স বেড়ে যাওয়ার অনেক আগেই মাথার চুল পাতলা হয়ে যায়।
এই সমস্যা মাথায় টাক হওয়ার সম্ভাবনাকে উজ্জীবিত করে।
এই সমস্যা সমাধানের কিছু উপায় হল-

  • স্থায়ী সমাধান হিসেবে কিছু ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। যেমন: Rogaine, Propecia, Corticosteroids ইত্যাদি
  • লেজার থেরাপি
  • Hair transplants

মাথার তালুতে ম্যাসাজ করা (Scalp massage) অথবা চিরুনি দিয়ে আঁচড়ানো কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। কারণ ম্যাসাজ করা বা চুল আঁচড়ানোর ফলে মাথার ‌ত্বকে ভালো ভাবে রক্ত সঞ্চালন হয়। এছাড়াও চুল পড়া প্রতিরোধে করণীয় উপরোল্লেখিত নির্দেশনা সমুহ অনুসরণের মাধ্যমে মাথার পাতলা চুল ঘন হয়ে উঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

পাতলা চুল/টাক সমস্যা নিয়ে বিব্রতকর অবস্থা এড়াতে কিছু টিপস

  • মাথায় আলগা চুল বা টুপি পড়া (Wear a wig or toupee) ।
    অস্থায়ী সমাধান হিসেবে সৌন্দর্যহানির হাত থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে
  • এমনভাবে চুল আঁচড়াতে হবে যেনো মাথার যে অংশে কম পরিমাণে চুল রয়েছে সে অংশ ঢেকে থাকে

 

চুল পড়া একটি প্রাথমিক সমস্যা যা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে অনেক পুরুষের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। তবে কম বয়সে চুল পড়া শুরু হলে সেক্ষেত্রে চুল পড়ার সঠিক কারণ খুঁজে বের করতে হবে ।‌ অতঃপর সেই অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে চুল পড়া সমস্যা প্রতিকারে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করে শুধু দুশ্চিন্তা আর বিষন্নতায় ভুগলে কোন ফল পাওয়া যাবে না। উপরন্তু মানসিক চাপ চুল পড়া আরো বাড়িয়ে দেবে।

Last Updated on March 31, 2022

Was this article helpful?
YesNo