লিভার মানুষের দ্বিতীয় বৃহত্তম অঙ্গ (second largest organ) যেখানে শরীরের নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী সম্পন্ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের জন্য লিভারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

লিভারের অত্যন্ত জটিলতর ও প্রাণঘাতী একটি সমস্যার নাম হলো লিভার ফেইলিউর যাকে মেডিকেলের ভাষায় Hepatic failure বলা হয়। এই‌ অনুচ্ছেদে লিভার ফেইলিউর এর কারণ, লক্ষণ, জটিলতা ও চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সেই সাথে অনুচ্ছেদের শেষের দিকে রয়েছে লিভার ফেইলিউর কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় সেই বিষয়ক বিশেষ নির্দেশনা।

Hepatic failure কি? (What is Hepatic Failure)

সুস্থ অবস্থায় লিভারের মধ্যে প্রায় ৫০০ এর বেশি গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী সম্পাদন হয়ে থাকে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পিত্তরস তৈরি, শর্করা (Carbohydrates) সঞ্চয় ও রোগ প্রতিরোধ করা।

লিভারের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তখন লিভার তার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যর্থ হয়। আর এমতাবস্থাকেই Hepatic failure নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। নানাবিধ রোগের কারণে লিভারের কোষ ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তার কার্যকারিতা হারাতে পারে অথবা হঠাৎ করেও লিভার ফেইলিউর হতে পারে। এটি একটি জরুরি অবস্থা যেখানে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।

উল্লেখ্য Hepato হচ্ছে লিভারের মেডিকেল টার্ম যা দ্বারা মানুষের শরীরের লিভার বা যকৃতকে নির্দেশ করা হয়ে থাকে। আর তাই লিভারের যে কোনো ধরনের রোগকে মেডিকেলের ভাষায় Hepato সংযুক্তি দ্বারা বোঝানো হয়ে থাকে। যেমনঃ Hepatitis (জন্ডিস), Hepatitis B, Hepatic failure ইত্যাদি।

Hepatic failure কত ধরনের হয়? (Type of Hepatic Failure)

Hepatic failure এর দুইটি প্রকারভেদ রয়েছে। যেমনঃ

01.Acute hepatic failure: পূর্বে কোনো লিভারের রোগ বা লক্ষণ ব্যতীত হঠাৎ করে লিভার তার কার্যক্ষমতা হারালে সেটিকে Acute hepatic failure নামে অভিহিত করা হয়।

02.Chronic hepatic failure:  দীর্ঘদিন ধরে লিভারের নানাবিধ রোগের কারণে লিভার অকেজো হয়ে গেলে সেটিকে Chronic hepatic failure নামে অভিহিত করা হয়।

দুই ধরনের হেপাটিক ফেইলিউর (Hepatic failure) এর মধ্যে বিশেষ কিছু পার্থক্য রয়েছে যা নিচে ছক আকারে তুলে ধরা হলো। (Robinson, 2021)

Acute hepatic failure Chronic hepatic failure
হঠাৎ করে হয় (৪৮ ঘন্টার মধ্যে) দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে
পূর্বে কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যায় না লিভারের অসুস্থতা জনিত নানাবিধ লক্ষণ আগে থেকেই দেখতে পাওয়া যায়
লিভার সিরোসিসের ইতিহাস থাকে না লিভার সিরোসিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অধিক সম্ভাবনা রয়েছে
দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় চিকিৎসার মাধ্যমে পুনরায় লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না

Liver Failure এর কারণ কি?

Liver Failure এর কারণ কি

লিভার ফেইলিউর এর ধরন অনুযায়ী কারণের (Causes) বেলায় ভিন্নতা রয়েছে।

Acute Hepatic failure এর কারণ গুলো হলো:

  • অতিরিক্ত মাত্রায় প্যারাসিটামল সেবন
  • ভাইরাসের সংক্রমণ (Hepatitis A, B, C)
  • ইনফেকশন (Septic shock)
  • ক্ষতিকর হারবাল ওষুধের প্রভাব
  • গর্ভকালীন সময়ে Acute fatty liver
  • বিষাক্ত খাবার বা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান খেয়ে ফেলা

প্যারাসিটামল ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার বিধি সম্পর্কে জানতে এই অনুচ্ছেদটি পড়ুন।

পক্ষান্তরে Chronic hepatic failure এর জন্য দায়ী কারণ গুলো নিম্নরূপ:

  • Hepatitis B, C
  • ফ্যাটি লিভার (Fatty liver)
  • লিভার সিরোসিস (Liver cirrhosis)
  • দীর্ঘদিনের মদ্যপানের অভ্যাস
  • লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি

Hepatic failure কেন হয়?

আমেরিকান লিভার ফাউন্ডেশন এর তথ্য অনুযায়ী লিভারের প্রদাহ (Inflammation) থেকে এক পর্যায়ে লিভার ফেইলিউর বা Hepatic failure সংঘটিত হয়ে থাকে। (Morales-Brown, 2020) লিভার ফেইলিউর এর পর্যায় সমূহ কারণসহ নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

Stage 1 (Inflammation): এই পর্যায়ে লিভারের কোষে প্রদাহ হয় কিন্তু রোগী তেমন কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ বুঝতে পারে না।

Stage 2 (Fibrosis): প্রাথমিক পর্যায়ের প্রদাহের সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা না হলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে। এই পর্যায়ে লিভারের মধ্যে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে এবং লিভারের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।

Stage 3 (Cirrhosis): এই পর্যায়ে নানাবিধ অস্বাভাবিক লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। এ অবস্থায় চিকিৎসার মাধ্যমে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না।

Stage 4 (End stage liver disease):  এটি হলো Chronic hepatic failure এর চরম পর্যায় যখন লিভার তার কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে হারায় অর্থাৎ লিভার ফেইলিউর হয় এবং জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।

Hepatic failure এর লক্ষণ কি?

কারণের মত লক্ষণের ক্ষেত্রেও Hepatic failure এর ধরন অনুযায়ী ভিন্নতা দেখা যায়। Acute hepatic failure এর কোনো পূর্ব লক্ষণ দেখা যায় না কিন্তু ফেইলিউর সংঘটিত হলে সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত লক্ষণ সমূহ পরিলক্ষিত হয়।

  • বমি বমি ভাব
  • বমির সাথে রক্ত যাওয়া
  • ডায়রিয়া (Diarrhoea)
  • পেটের ডানদিকে ব্যথা বা অস্বস্তি
  • ক্লান্তি (Fatigue)

Chronic hepatic failure এর একদম প্রারম্ভিক অবস্থায় তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে পরবর্তীতে যে সমস্ত লক্ষণাবলী দেখা যেতে পারে তা হলো

  • দুর্বলতা ও ক্লান্তি
  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • ক্ষুধা কমে যাওয়া
  • পেটে ব্যথা
  • জন্ডিস

Hepatic failure এর চরম পর্যায়ের লক্ষণ হিসেবে পেটে পানি জমে যাওয়া, চুলকানি, প্রস্রাবের সাথে রক্ত ও রক্ত বমি (vomiting blood) হতে পারে।

Hepatic failure কিভাবে ডায়াগনোসিস করা হয়?

Hepatic failure কিভাবে ডায়াগনোসিস করা হয়

লিভারের অবস্থা ও লিভার ফেইলিউর (Hepatic failure) নির্ণয়ের জন্য কতিপয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো জরুরি। যেমনঃ

রক্ত পরীক্ষা:

নমুনা হিসেবে রক্ত সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে ESR (erythrocyte sedimentation rate), রক্ত জমাট বাঁধার সময়, লিভারের বিভিন্ন এনজাইমের পরিমাণ (SGPT -Serum glutamic pyruvic transaminase, SGOT- serum glutamic-oxaloacetic transaminase) ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়।

আল্ট্রাসনোগ্রাফি (USG of whole abdomen):

লিভারের আকৃতি‌ ও অবস্থার পরিবর্তন বুঝতে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়ে থাকে। তবে আরো সুস্পষ্ট ধারণা পেতে ক্ষেত্রবিশেষে সিটি স্ক্যান (CT scan) ও এমআরআই (MRI) করার প্রয়োজন হতে পারে।

বায়োপসি (Biopsy):

লিভারের কোষ সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়ে থাকে যার মাধ্যমে লিভারের কোষের অবস্থা সহ লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

কিভাবে Hepatic failure চিকিৎসা করা হয়?

Hepatic failure এর কারণ ও পর্যায়ের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্নতর হয়ে থাকে। Acute hepatic failure এর ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে একজন বিশেষজ্ঞ (Hepatologist অথবা Gastroenterologist চিকিৎসকের সান্নিধ্যে চিকিৎসা নিতে হবে।

Chronic hepatic failure এর প্রাথমিক পর্যায়ে (stage 1 & stage 2) চিকিৎসার মাধ্যমে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। তবে stage 3 & stage 4 এর ক্ষেত্রে চিকিৎসার মাধ্যমে শুধুমাত্র রোগ যন্ত্রণা লাঘব করা সম্ভব হয় কিন্তু পুনরায় লিভারের কার্যক্ষমতা ফিরে আসে না।

বাংলাদেশে লিভার ফেইলিউর এর জন্য যে সমস্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে তা নিম্নরূপ:

এন্টি ভাইরাল ওষুধ:

ভাইরাসজনিত লিভার ফেইলিউর এর প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসা হিসেবে রয়েছে এন্টি ভাইরাল ওষুধ যা একমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করা উচিত।

লিভার ডায়ালাইসিস (Liver dialysis):

লিভার ফেইলিউর এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে রয়েছে লিভার ডায়ালাইসিস যার মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত বর্জ্য উপাদান অপসারণ করা হয়। বাংলাদেশেও এই পদ্ধতিতে চালু হয়েছে যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (BSMMU) করানো হয়ে থাকে।

লিভার ট্র্যান্সপ্লান্ট (Liver transplant):

এটি একটি জটিলতর চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে সুস্থ ব্যক্তির শরীর থেকে লিভারের অংশ বিশেষ নিয়ে অসুস্থ ব্যক্তির দেহে স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশে সফলভাবে লিভার ট্র্যান্সপ্লান্ট করা যায় তবে এটি বেশ ব্যয়বহুল।

Immune suppressing medications:

সাধারণত লিভার ট্র্যান্সপ্লান্ট এর পরে এই ধরনের ওষুধ সেবনের নির্দেশনা দেওয়া হয়ে থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কিছুটা কমিয়ে দেয় যেনো তা লিভার ট্র্যান্সপ্লান্ট এর দরুন কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না করে।

Hepatic failure এর জটিলতা কি?

Hepatic failure এর জটিলতা

যথাসময়ে Hepatic failure এর চিকিৎসা গ্রহণ করা না হলে তা অধিকতর জটিলতার সৃষ্টি করে থাকে। অর্থাৎ লিভার ছাড়াও শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি করে থাকে।

Cerebral edema: শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি (Fluids) জমে যায় যা প্রথমত পেটে দেখা গেলেও তা পরবর্তীতে পা ও মাথায় জমে যেতে পারে। মাথায় পানি জমে গেলে তাকে Cerebral edema বলা হয় যার ‌লক্ষণ হিসেবে খিঁচুনি (seizure) ও মানসিক বিভ্রান্তি (Mental confusion) দেখা যায়।

রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না:  সুস্থ অবস্থায় লিভারের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তাকারী এনজাইম সমূহ উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু লিভার ফেইলিউর হলে সেক্ষেত্রে এনজাইম উৎপন্ন হতে পারে না আর যার দরুন শরীর থেকে সহজেই রক্তপাত হতে পারে।

ইনফেকশন (Infections):  শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় লিভারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। লিভার ফেইলিউর এর ফলাফল স্বরূপ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সহজেই ইনফেকশন ও নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।

কিডনি ফেইলিউর: লিভার ফেইলিউর ক্ষেত্র বিশেষে কিডনি ফেইলিউর এর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে যা আরেকটি জটিলতর ও জরুরি অবস্থা।

কিডনি ফেইলিউর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই অনুচ্ছেদটি পড়ুন।

লিভার ফেইলিউর এর সর্বশেষ জটিলতা বা পরিণতি হলো মৃত্যু। যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা না‌ হলে সেক্ষেত্রে সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে রোগী মৃত্যু বরণ করেন।

Hepatic failure কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

লিভার ফেইলিউর যে একটি জটিলতর সমস্যা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ লিভার ফেইলিউর এর চিকিৎসা যেমন ব্যয়বহুল তেমনি চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কম। আবার যথাসময়ে চিকিৎসা গ্রহণ করা না হলে শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করে এমনকি তা অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর তাই সবচেয়ে উত্তম হলো হেপাটিক ফেইলিউর প্রতিরোধে সচেষ্ট হওয়া। এই পর্যায়ে কিভাবে হেপাটিক ফেইলিউর প্রতিরোধ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো। (Mayo Clinic, 2020)

  • অবশ্যই নির্ধারিত মাত্রায় সকল ওষুধ সেবন করতে হবে। কখনোই অতিরিক্ত পরিমাণে (overdose) কোনো ওষুধ সেবন করা যাবে না
  • এমন কোনো হারবাল ওষুধ সেবন করা যাবে না যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসককে এই ব্যাপারে অবহিত করতে হবে
  • লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো মদ্যপান করা।‌ আর তাই মদ্যপানের অভ্যাস পরিত্যাগ করা জরুরি
  • কোমল পানীয় বা সফট ড্রিংকস লিভারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর তাই কোমল পানীয় পানের অভ্যাস কমাতে হবে
  • মশা দূর করতে অ্যারোসল (aerosol sprays) ব্যবহার না করে অন্য কোনো পন্থা (মশারি, ইলেকট্রনিক ব্যাট) অবলম্বন করা উচিত। কারণ অ্যারোসলের মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে যা লিভারের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে
  • শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন ফ্যাটি লিভার (Fatty liver) এবং লিভার সিরোসিস সৃষ্টি করে যা লিভার ফেইলিউর এর অন্যতম কারণ
  • হেপাটাইটিসের সংক্রমণ হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। সেই সাথে অবশ্যই সুস্থ ব্যক্তির জন্য হেপাটাইটিসের (Hepatitis B) টিকা (vaccine) গ্রহণ করা জরুরি

Hepatic failure কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়

সতর্কতাঃ

উল্লেখ্য চাষকৃত মাশরুম খাওয়া যায় কারণ তা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে বাড়ির আঙিনায় যে সমস্ত মাশরুম বা ছত্রাক আপনাআপনি জন্মে সেগুলো খাওয়া যাবে না। কারণ এই গুলো বিষাক্ত (Toxic) যা খেলে একিউট লিভার ফেইলিউর (acute hepatic failure) হতে পারে।

লিভার ফেইলিউর বা Hepatic failure এমন একটি অবস্থা যেখানে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা থাকে না। এই পর্যায়ে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে। তবে Liver ফেইলিউর এর চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সফলতার সম্ভাবনা কম। আর তাই লিভার ফেইলিউর প্রতিরোধে কার্যকরী উপায় সমূহ মেনে চলতে সচেষ্ট হতে হবে।

 

 

References

Mayo Clinic. (2020, Oct 21). Acute liver failure. Retrieved from Mayo Clinic: https://www.mayoclinic.org/diseases-conditions/acute-liver-failure/symptoms-causes/syc-20352863

Morales-Brown, L. (2020, October 20). What to know about liver failure and liver disease stages. Retrieved from Medical News Today: https://www.medicalnewstoday.com/articles/liver-failure-stages#outlook

Robinson, J. (2021, August 22). What Is Liver Failure? Retrieved from Web MD: https://www.webmd.com/digestive-disorders/digestive-diseases-liver-failure

Last Updated on July 25, 2022

Was this article helpful?
YesNo