ত্বক মানুষের শরীরের সৌন্দর্যের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। বিশেষত রুপ চর্চায় ত্বকের যত্ন নেওয়া মেয়েদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ত্বকের যত্ন নিতে হবে সঠিক ও নিরাপদ পদ্ধতিতে। কৃত্রিম প্রসাধনীর তুলনায় প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা ঘরে তৈরি প্রসাধনীর ক্ষতিকর প্রভাব অনেক কম। প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে মেয়েদের ত্বকের পরিচর্যা বিষয়ে এই অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে।

 

প্রাকৃতিক উপাদানে ত্বকের যত্ন

হাতের কাছে সহজেই পাওয়া যায় এমন বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের পরিচর্যায় কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এতে রয়েছে ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, এন্টি অক্সিডেন্ট, তেল, এনজাইম ও অন্যান্য উপকারী উপাদান সমূহ। প্রাকৃতিক উপাদান নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত। প্রাকৃতিক উপাদান সামগ্রী যেমন পেঁপে, শসা,‌ টমেটো, লেবু, নিম,‌ হলুদ, এলোভেরা, তেল, চন্দন গুঁড়া, জাফরান, দই ইত্যাদি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। কারণ এই সমস্ত উপকরণ ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ, বলিরেখা, ব্রণ ও একজিমা দূর হয়। এছাড়াও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক হয় কোমল ও মসৃণ। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ নিয়ম মেনে চলতে হবে যে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

 

প্রাকৃতিক উপাদানে ত্বকের যত্ন

ত্বকের বলিরেখা দূর করতে পেঁপে

ত্বকে বলিরেখা বা ভাজ পড়ে যাওয়া বুড়িয়ে যাওয়ার সংকেত। তবে অনেকের ক্ষেত্রে বয়স বৃদ্ধির আগেই ত্বকে বলিরেখা দেখা যায় যা হীনমন্যতার সৃষ্টি করে। এই সমস্যা থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে মুক্তি পেতে পেঁপে ব্যবহার করা যেতে পারে। পেঁপেতে রয়েছে লাইকোপেন (lycopene) নামক বিশেষ একধরনের এন্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বিশেষত মুখের (face wrinkles) বলিরেখা দূর করতে এবং ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও পেঁপেতে থাকা এনজাইম ব্রণ ও মেছতা দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

পাকা পেঁপে ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন। অতঃপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন‌ ব্যবহার করুন। ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য পেঁপের তৈরি পেস্টের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে শসার ফেসপ্যাক 

শসা খাবারে সালাদ হিসেবে ব্যবহারের বাইরে ত্বকের যত্নে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। শসাতে রয়েছে ফলিক এসিড, ভিটামিন সি, এন্টি অক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ নাশক উপাদান। ঘরোয়া ভাবে তৈরি শসার ফেসপ্যাক ব্রণের দাগ ও বলিরেখা দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

 

শসার ফেসপ্যাক

ব্যবহারের নিয়ম:

খোসা ছাড়ানো শসা ব্লেন্ড করে নিন। নিঃসৃত জুস বাহ্যিক ভাবে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলুন। ফেসপ্যাক ব্যবহারের পূর্বে মেকআপ থাকলে তা ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। 

শুধুমাত্র শসার তৈরি ফেসপ্যাক ছাড়াও শসার জুসের সাথে এলোভেরা জেল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানানো যায় যা ত্বকের রুক্ষতা দূর করে।‌ শসার জুস ও মধু একসাথে মিশিয়ে ব্যবহারের ফলে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

কাঁচা হলুদ ব্যবহারে বাড়বে ত্বকের উজ্জ্বলতা

প্রাকৃতিক প্রসাধনী হিসেবে কাঁচা হলুদের ব্যবহার প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত। কাঁচা হলুদে রয়েছে Curcumin নামক এক বিশেষ উপাদান যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও একজিমা, চুলকানি, সোরিয়াসিস ও ত্বকের ক্ষত সারাতে এটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

কাঁচা হলুদ বেটে বা ব্লেন্ড করে পেস্ট এর মতো তৈরি করে নিন। অতঃপর হাত, পা ও মুখে আলতো ভাবে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ব্যবহার করুন। ব্যবহারের ফলে ত্বকে হালকা হলুদ ভাব থেকে যেতে পারে যা স্বাভাবিক।

ব্ল্যাকহেডস দূর করতে লেবু

নাকের ডগায় বা মুখের ত্বকে প্রচুর ব্ল্যাকহেডস দেখা যায়। বাহ্যিক ভাবে লেবুর ব্যবহার ব্ল্যাকহেডস (blackheads) দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও এতে রয়েছে জীবাণু বিরোধী উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া জনিত ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। মাথায় লেবুর রস দিলে তা খুশকি দূর করতে সাহায্য করে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

 

ব্যবহারের নিয়ম:

ত্বকে ব্যবহারের জন্য এক ফালি লেবু কেটে ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে হালকা ভাবে ঘষতে হবে। তবে মাথায় ব্যবহারের জন্য লেবুর রস দিতে হবে। এই সময়ে রোদে যাওয়া যাবে না কারণ তাতে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হতে পারে। ব্যবহারের অল্প কিছুক্ষণ (৫-১০ মিনিট) পরেই ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা বেশি সময় ধরে থাকলে ত্বকে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করতে পারে।

ব্ল্যাকহেডস দূর করতে লেবু

ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে এলোভেরা জেল

এলোভেরাতে রয়েছে ৯৮% পর্যন্ত পানি যা ব্যবহারে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, বি১২ এবং ত্বকের জন্য উপকারী অন্যান্য উপাদান যা রোদে পোড়া দাগ দূর করে এবং ত্বককে করে কোমল ও মসৃণ।

ব্যবহারের নিয়ম:

এলোভেরার পাতা থেকে থকথকে জেল সংগ্রহ করে বাহ্যিক ভাবে ত্বকে লাগাতে হবে। লাগানোর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। দৈনিক ১ থেকে ২ বার করে কয়েকদিন (৭-১০ দিন) পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে একটানা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা উচিত নয়।

ব্রণ প্রতিরোধে টমেটো 

ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি করে। বাহ্যিক ভাবে টমেটো ব্যবহারের ফলে ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর হয়। যার ফলে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এছাড়াও টমেটো ত্বকের মৃত কোষসহ ত্বকের উপরিভাগের ময়লার আস্তরণ দূর করে ত্বককে করে পরিস্কার, মসৃণ ও উজ্জ্বল।

ব্যবহারের নিয়ম:

এক ফালি টমেটো কেটে ত্বকের উপরিভাগে ঘষতে হবে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতি ছাড়াও আরো একটি বিশেষ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়।‌ টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারের সহায়তায় পেস্ট তৈরি করে তার সাথে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল (Tea tree oil) মিশিয়ে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহারের ফলে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে নিমের তৈরি ফেসপ্যাক

নিমপাতা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহারের ফলে ত্বকের কালো দাগ দূর হয় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
এছাড়াও এর এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী ব্রণ হওয়ার প্রবণতা হ্রাস করে এবং ত্বকে ইনফেকশন প্রতিরোধ করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

নিমপাতা বেটে পেস্ট তৈরি করুন। আক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপ দিন।
২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিমপাতার তৈরি ফেসপ্যাক প্রতিদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।
বরং সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২ দিন ব্যবহার করতে পারেন।
ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য নিমপাতার সাথে এলোভেরার সংমিশ্রণে পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ত্বকের একজিমা ও সোরিয়াসিস দূর করতে মধু

মধু একটি উপকারী প্রাকৃতিক উপাদান যা বাহ্যিক ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। একজিমা ও সোরিয়াসিসের মত যন্ত্রণাদায়ক চর্মরোগের ক্ষেত্রে মধুর ব্যবহার উপশম দায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। এছাড়াও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান যেমন হলুদ, লেবুর রস ও চন্দন গুঁড়া ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে মধুর ব্যবহার বেশ প্রচলিত।

 

ত্বকের একজিমা ও সোরিয়াসিস দূর করতে মধু

ব্যবহারের নিয়ম:

ত্বকের পরিচর্যামধু ব্যবহারের নিয়ম খুবই সহজ। সামান্য একটু মধু হাতের আঙ্গুলে নিয়ে ত্বকে লাগান। ব্যবহারের পরে ত্বকে আঠালো ভাব বোধ হয় যা অস্বস্তিকর লাগতে পারে। ৮ থেকে ১০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ, একজিমা ও সোরিয়েসিস দূর করতে মধুর সাথে এক চতুর্থাংশ অনুপাতে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। (Watson, 2019)

ত্বকের দাগ দূর করতে চন্দন গুঁড়া

চন্দন গুঁড়া ত্বকের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে।‌ বিশেষত:

  • ব্রণের সমস্যা দূর করে
  • ত্বকের কালো দাগ দূর করে
  • বলিরেখা দূর করতে সহায়তা করে
  • ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করে
  • রোদে থাকার ফলে ত্বকে দাগ পড়লে সেই দাগ দূর করতে সহায়তা করে

 

ব্যবহারের নিয়ম:

চন্দন গুঁড়ার সাথে পরিমাণ মতো লেবুর রস অথবা মধু অথবা গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। হাত, পা ও মুখের ত্বকে পাতলা করে প্রলেপ দিন।
২০ থেকে ২৫ মিনিট পরে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
ভালো ফলাফল পেতে হলে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন‌ ব্যবহার করুন।

ছত্রাক রোধে নারিকেল তেল

বহুল ব্যবহৃত প্রসাধনী হলো নারিকেল তেল যা নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত।
এটি ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে করে মসৃণ।
এর রয়েছে ছত্রাক বিরোধী গুণাবলী যা ত্বকে ছত্রাক জনিত চুলকানি ও ক্ষত সারাতে সহায়তা করে।
মাথায় নারিকেল তেলের ব্যবহার খুশকি দূর করে ও চুল পড়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

বিশুদ্ধ নারিকেল তেল নিয়ে দুই হাতের তালুতে ঘষে ত্বকে লাগাতে হবে। মাথায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাথা পরিষ্কার করে নিতে হবে।
তেলের ক্ষেত্রে ব্যবহারের পরে ধুয়ে ফেলার প্রয়োজন নেই।

ত্বক মসৃণ করে অলিভ অয়েল

প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো অলিভ অয়েল। নিয়মিত অলিভ অয়েলের ব্যবহার ত্বককে কোমল ও নমনীয় করে তোলে। ত্বকে ব্যকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিরোধে এটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

 

 

ব্যবহারের নিয়ম:

নারিকেল তেলের মত করেই ব্যবহার করা যায়। প্রয়োজনে অন্য যে কোন তেলের সাথে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়।
তবে যাদের ঠান্ডা লাগার প্রবণতা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে রাতে ব্যবহার না করা উত্তম।

ত্বকের পরিচর্যায় জাফরান ব্যবহার নিরাপদ কি?

জাফরান একটি বহুল প্রচলিত মশলা যা খাদ্যের রং ও সুঘ্রাণ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়। ত্বকের যত্নে এটির ব্যবহার নিরাপদ তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ত্বকে এলার্জি দেখা দিতে পারে‌। এটি ত্বকের কালো দাগ দূর করতে এবং ত্বকের ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

জাফরান গুঁড়া মধুর সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগান।
১০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মধু ব্যতীত এলোভেরা জেল অথবা তেলের সাথে মিশিয়েও এটি ব্যবহার করা যায়।
যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল তাদের জন্য এটি ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।
এছাড়াও গর্ভবতী নারীদের জন্য জাফরান ব্যবহার গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই গর্ভকালীন সময়ে জাফরান ব্যবহার করা নিষেধ।

কালো ছোপ দাগ দূর করতে টক দই

টক দইয়ের মধ্যে রয়েছে ল্যাকটিক এসিড ও ভিটামিন বি২, বি৫ এবং বি১২ যা ত্বকের জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করে।
ত্বকের কালো ছোপ দাগ দূর করতে ও ত্বকের মসৃণতা ফিরিয়ে আনতে এর জুড়ি নেই।

ব্যবহারের নিয়ম:

শুধু দই ব্যবহার করা যায় অথবা দইয়ের সাথে আরো কিছু উপাদান মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করা যায়।
দই, মধু ও হলুদের মিশ্রণে তৈরি পেস্ট ব্যবহার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সহায়তা করে।
দই, মধু ও এলোভেরার সংমিশ্রণে তৈরি পেস্ট ত্বকের প্রদাহ নাশক হিসেবে কাজ করে।

প্রাকৃতিক উপাদান নিরাপদ কিন্তু ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ নিয়ম মানতে হবে। অযাচিত ব্যবহার ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কোন বিশেষ উপাদানের প্রতি যদি সংবেদনশীলতা থাকে তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সেই উপাদান টি ব্যবহার করা উচিত হবে না।
এছাড়াও একটানা দীর্ঘদিন ধরে কোন উপাদান ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।

Last Updated on February 9, 2022

Was this article helpful?
YesNo