মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্গান হল ফুসফুস, যা আমাদের শ্বাসকার্য পরিচালনা করে। ফুসফুসের নানা বিষয়ে আমাদের মনে হামেশাই বিভিন্ন প্রশ্ন জাগে। এছড়া কার্বনডাইঅক্সাইড যুক্ত রক্তকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তে রূপান্তর করে। যক্ষার ফলে ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। শ্বাসনালীর রোগের মধ্যে প্রধানত হাঁপানি, সিওপিডি, শ্বাসনালীর টিউমার সহ অন্যান্য এন্ডোব্রোনকিয়াল সংক্রমণ অন্তর্ভুক্ত। ফুসফুসের যেসব রোগগুলো আমাদের বেশি হয়ে থাকে তা হল –

  • হাঁপানি রোগ (Asthma)
  • নিউমোনিয়া (Pneumonia)
  • সিওপিডি (COPD), এটি একধরনের দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ। সাধারণত যারা অনেকদিন ধরে (১০-১৫ বছর) ধূমপান করে তাদের এই রোগ বেশি হয়।
  • ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung cancer)
  • পালমোনারি হাইপারটেনশন (Pulmonary hypertension)
  • সিস্টিক ফাইব্রোসিস (Cystic fibrosis) । এই রোগে ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশন হয় এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।

ফুসফুসের রোগের লক্ষণ

ফুসফুসের সমস্যা বোঝার উপায় হল, শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসে ব্যাথা হওয়া। এই দুটি লক্ষণ যেকোন ফুসফুসের সমস্যা হলেই সচরাচর দেখা যায়। তবে রোগের পার্থক্য অনুযায়ী লক্ষণও ভিন্ন হতে পারে। ফুসফুসের সমস্যা হলে কি হয় সে সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

 

ফুসফুসের রোগের লক্ষণ

হাঁপানি রোগ (Asthma)

হাঁপানি দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগগুলোর মধ্যে একটি। এ রোগে ফুসফুস ফুলে যায় এবং সরু হয়ে যায়, তাই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে-

  • শ্বাসকষ্ট
  • বুক চেপে ধরেছে কেউ এমন অনুভুতি হওয়া
  • কাশি

শ্বাসকষ্ট ও কাশি উভয়ই যক্ষা ও হাঁপানি রোগের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে পরে। কিন্তু হাঁপানির কাশি টিবির কাশির মত এতো দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাঁপানি বাচ্চাদের হয়, তবে বড়দেরও হতে পারে। শীতকালে হাঁপানির প্রকটতা বাড়ে। ওষুধের মাধ্যমে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যাদের এলার্জির সমস্যা আছে, ধূমপান করে, অতিরিক ওজন তাদের হাঁপানি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

সিওপিডি (COPD)

ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) একটি দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ। সিওপিডি তে ফুসফুসের প্রদাহ (Inflammation) হয়ে বেশি বেশি মিউকাস (Mucous) উৎপাদন করে এবং ফুসফুসের আবরণকে মোটা করে দেয় যার ফলে শ্বাস নেয়া কঠিন হয়ে যায়।

এমফাইসিমা ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস থেকে সিওপিডি হয়। সিওপিডি রোগীদের হিস্ট্রি নিলে দেখা যায় প্রত্যেকরই এমফাইসিমা বা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস ছিল।

এমফাইসিমা (Emphysema): এমফাইসিমা ফুসফুসে থাকা বায়ু থলির ক্ষতি করে। সুস্থ মানুষের বায়ু থলি শক্তিশালী এবং নমনীয় হয়। এমফাইসিমা তাদের দুর্বল করে দেয়।

ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস (Chronic bronchitis):  ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কিয়াল টিউবগুলির (একধরনের টিউব আকৃতির প্যাসেজ যা ফুসফুসে বাতাস ঢুকতে সাহায্য করে) প্রদাহ সৃষ্টি করে। এটি শ্লেষ্মা (Mucous) উৎপাদন বৃদ্ধি করে।

লক্ষণ-

  • নিঃশ্বাসের দুর্বলতা
  • শ্বাসকষ্ট
  • ঘন ঘন কাশি
  • কফ সহ কাশি
  • বুক ব্যাথা

সিওপিডি হওয়ার প্রধান কারণ হল ধূমপান। এমন কি যারা ধূমপান করে না কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে ধূমপায়ীদের সাথে রয়েছে তাদেরও সিওপিডি হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। তবে অনেকেই মনে করে থাকেন যে, যক্ষা রোগের সাথেও ধূমপান জড়িত। যদিও এটি একটি ভূল ধারণা, কারণ টিবি রোগ ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়, সিগারেটের ধোঁয়াতে এখন পর্যন্ত কোন ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পাওয়া যায় নি, বরং এতে নিকোটিন নামক একধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে।

ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung cancer)

ফুসফুসের ক্যান্সার এমন একটি রোগ যেখানে আপনার ফুসফুসের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ধীরে ধীরে টিউমার তৈরি করে। টিউমারগুলো বড় হলে ফুসফুস কাজ করতে বাধা প্রাপ্ত হয় এবং একসময় এই টিউমারগুলো শরীরের অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পরে। মাঝে মাঝে কোন লক্ষণ ছাড়াই এটি বড় হতে থাকে।

লক্ষণ সমূহ-

  • শ্বাসকষ্ট
  • দুর্বলতা
  • ওজন হ্রাস
  • রক্ত কাশি

ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিতে আছেন যারা

  • ফুসফুসের ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস আছে
  • অন্যান্য ধরনের ক্যান্সার আছে
  • ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে থাকা

পালমোনারি হাইপারটেনশন (Pulmonary hypertension)

পালমোনারি হাইপারটেনশন ফুসফুসে উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি করে। সাধারণ উচ্চ রক্তচাপ শরীরে থাকা সব রক্তনালীকে প্রভাবিত করে কিন্তু পালমোনারি হাইপারটেনশনে শুধুমাত্র ফুসফুসে থাকা রক্তনালী প্রভাবিত হয়।

লক্ষণ-

  • বুক ব্যাথা
  • মাথা ঘোরা
  • ক্লান্তি
  • দ্রুত হৃদস্পন্দন
  • পায়ের গোড়ালিতে ফুলে যাওয়া

এই রোগ নিরাময় করা যায় না, তবে ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। বেশিরভাগ যক্ষা রোগীদেরই পালমোনারি হাইপারটেনশন রয়েছে।

পালমোনারি হাইপারটেনশনের ঝুঁকিতে আছে যারা –

  • মাত্রাতিরিক্ত ওজন
  • পরিবারের কারো আগে পালমোনারি হাইপারটেনশন থাকলে
  • অন্য কোন ফুসফুসের রোগ থাকলে
  • ক্ষুধা-দমনকারী ওষুধ গ্রহণ করা
  • ড্রাগস নিলে

সিস্টিক ফাইব্রোসিস (Cystic fibrosis)

এটি ফুসফুসে থাকা মিউকাসের (Mucous) পরিবর্তন ঘটায়। মিউকাস সাধারণত পিচ্ছিল ও পাতলা থাকে, ফাইব্রোসিস হলে মিউকাস পরিবর্তন হয়ে আঠালো ও মোটা হয়ে যায়। এর ফলে খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস এর লক্ষণ –

  • দীর্ঘস্থায়ী কাশি
  • শ্বাসকষ্ট
  • নিঃশ্বাসের দুর্বলতা
  • শ্লেষ্মা কাশি
  • সর্দি
  • অতিরিক্ত লবণাক্ত ঘাম
  • ঘন ঘন সাইনাস এর সংক্রমণ

এ রোগে সময় মত চিকিৎসা না নিলে লিভার, কিডনী, অগ্ন্যাশয় এবং সেক্স অর্গানের সমস্যা হতে পারে। প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সম্পূর্ন বিশ্রাম এবং সেই সাথে ওষুধ ও থেরাপির মাধ্যমে সংক্রমণ কমিয়ে আনা যায়।

এ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের যক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় অনেক কম থাকে। কারণ এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের জীনে টিবি প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকে (Mackenzie, 2006)।

 

নিউমোনিয়া (Pneumonia)

নিউমোনিয়া হল ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের দ্বারা সংক্রমিত রোগ। স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনিয়া (Streptococcus pneumonia) ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে প্রবেশ করে সেখানে বংশ বিস্তার করে। এরা ফুসফুসের বায়ু থলিকে স্ফীত করে দেয় এবং তরল পদার্থ জমা করে, ফলে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়। সাধারণত কয়েক সপ্তাহ চিকিৎসার ফলেই নিউমোনিয়া ভাল হয়ে যায়। তবে সময়মত চিকিৎসা না নিলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

নিউমোনিয়ার লক্ষণ-

  • কফ সহ কাশি
  • জ্বর
  • ঘেমে যাওয়া
  • শ্বাসকষ্ট
  • বুকে ব্যথা, শ্বাস নেয়া বা কাশির সময় ব্যাথা আরো বাড়ে
  • ক্লান্ত হয়ে পরা
  • ক্ষুধামন্দা
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • মাথাব্যথা

নিউমোনিয়ার ঝুঁকিতে আছেন যারা

  • ২ বছর বা তার কম বয়সী শিশু
  • ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষ
  • স্টেরয়েড বা নির্দিষ্ট ক্যান্সারের ওষুধ নেন যারা
  • যাদের দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, ডায়াবেটিস আছে
  • যারা সম্প্রতি শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন, যেমন সর্দি বা ফ্লু
  • যারা সম্প্রতি বা বর্তমানে এমন হাসপাতালে ভর্তি আছেন, যেখানে নিউমোনিয়া রোগী আছে
  • যাদের স্ট্রোক হয়েছে
  • যারা ধূমপান করে অথবা অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যালকোহল পান করে

কিভাবে ফুসফুসকে সুস্থ রাখা যায়?

  • ধূমপান করবেন না এবং ধূমপায়ীদের আশেপাশে থাকবেন না
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন, ব্যায়াম আপনার হৃদস্পন্দন বাড়ায়
  • পুষ্টিকর খাবার খান
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য চেকআপ করুন
  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন, ময়লা হাতে মুখ স্পর্শ করা থেকে এড়িয়ে চলুন এবং ফুসফুসের ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত এমন অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন
  • বাহিরে গেলে মাস্ক পড়ুন। মাস্ক আপনাকে যক্ষা, করোনা সহ আরো নানা রোগ থেকে মুক্ত রাখবে।

ফুসফুসের ইনফেকশন হলে করণীয় 

চিকিৎসকের দেওয়া পরীক্ষা থেকে যদি ফুসফুসের ইনফেকশন ধরা পড়ে তাহলে তার ধরন অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ করতে হবে। ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের জন্য সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। কিন্তু ভাইরাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর। আর ছত্রাকের কারণে যদি ফুসফুসের ইনফেকশন হয় তাহলে ছত্রাক প্রতিরোধী হিসেবে কিটোকোনাজল (Ketoconazole) অথবা ভোরিকোনাজল (Voriconazole) গ্রহণ করতে হয় এবং যক্ষা ধরা পড়লে নিয়মিত টিবির ওষুধ খেতে হয়। সেই সাথে পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চলুন। যেমন –

  • জ্বর কমাতে নির্দেশ অনুযায়ী এসিটামিনোফেন (Acetaminophen) বা আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen) সেবন করা
  • অনেক পানি পান করা
  • মধু বা আদা দিয়ে গরম চা পান করা
  • লবণ – পানি দিয়ে কুলকুচি করা
  • যতটা সম্ভব বিশ্রাম নেওয়া
  • ভাল হওয়ার আগ পর্যন্ত অ্যান্টিবায়োটিক চালিয়ে যাওয়া (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)
  • স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া

ফুসফুসের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার 

নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহন ও পানীয় পান করা ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন আপনার ফুসফুসকে ভাল রাখতে এবং ফুসফুসের ক্ষতি এবং রোগের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

 

ফুসফুসের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার 

ফুসফুসের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার

কাঁচা মরিচ

মরিচ ভিটামিন সি এর ভাল উৎস। ভিটামিন সি তে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Antioxidant) । বিশেষ করে যারা ধূমপান করেন, ভিটামিন সি তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি থাকায় কাঁচা মরিচ যক্ষা রোগীদের জন্যও একটি ভাল খাবার।

আপেল

সপ্তাহে ৫-৬ টি আপেল খেলে সিওপিডি তে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।

মিষ্টি কুমড়া

মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েড (Carotenoid) থাকে। ক্যারোটিনয়েড একধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি (Anti-inflammatory) । রক্তে পর্যপ্ত পরিমাণ ক্যারোটিনয়েড থাকা ফুসফুসের জন্য ভাল। ধূমপায়ীদের রক্তে ক্যারোটিনয়েডের মাত্রা অধূমপায়ীদের তুলনার ২৫% কম থাকে, তাই তাদের ফুসফুসের রোগ হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে।

হলুদ

হলুদে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Antioxidant) ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি (Anti-inflammatory) বৈশিষ্ট্য। হলুদের প্রধান উপাদান হল কারকিউমিন (Curcumin), যা ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

টমেটো

টমেটোতে লাইকোপিন (Lycopene) নামে একধরনের পুষ্টি উপদান থাকে যা হাঁপানি ও সিওপিডি রোগীদের জন্য উপকারী।

গ্রিন টি

গ্রিন টি এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Antioxidant) ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি (Anti-inflammatory) বৈশিষ্ট্য টিস্যু ফাইব্রোসিস (Fibrosis) হতে দেয় না, মানে টিস্যু যাতে ইনফেকশনের মাধ্যেমে চুপসে যেতে না পারে। তাই পালমোনারি ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

এছাড়া আরও যেসব খাবার সুস্থ্য ফুসফুসের জন্য উপকারি –

  • বাঁধাকপি
  • অলিভ ওয়েল
  • টক দই
  • লেবু
  • বাদাম
  • কফি
  • নারিকেল

ফুসফুস সুস্থ রাখতে যে খাবারগুলো এখানে উল্লেখ করা হয়েছে তা যেকোন ফুসফুসের রোগের জন্য একই। হোক সেটা ফুসফুসের যক্ষা কিংবা ইনফেকশন। এ খাবারগুলো খেলে ফুসফুস সুস্থ থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

Last Updated on December 29, 2022

Was this article helpful?
YesNo