রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সুস্থ্য থাকার প্রধান হাতিয়ার হলো ওষুধ।‌ আবার এই ওষুধের অযাচিত ব্যবহার অসুস্থ্যতার কারণ হতে পারে। ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম নির্দেশনার ‌তোয়াক্কা করেন না অনেকেই। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে অজ্ঞতা বশত অপ্রয়োজনে ওষুধ সেবন বা অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ সেবন এমনকি শক্তিশালী এন্টি-বায়োটিক ওষুধের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, প্রয়োজনের বাইরে অতিরিক্ত ওষুধ খেলে কি হয়?

প্রত্যেকটি ওষুধ রোগের তীব্রতা ও রোগীর বয়স এবং শারীরিক সার্বিক দিক বিবেচনা করে ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ সেবনের ফলে শরীরে নানাবিধ সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে তা জীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ হতে পারে। যেমন: এন্টি-বায়োটিকের অপব্যবহারের ফলে মানব জীবন আজ হুমকির সম্মুখীন। কতটুকু পরিমাণে ওষুধ সেবন করা নিরাপদ, কোন মাত্রায় ওষুধ সেবন করলে তা অতিরিক্ত বলে গণ্য হবে এবং সেই সাথে কি কি জটিলতা হতে পারে সেই বিষয়ে পরবর্তীতে ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ওষুধ সেবন বলতে আমরা কি বুঝি

 

অতিরিক্ত ওষুধ সেবন বলতে আমরা কি বুঝি?

ওষুধ ব্যবহারের জন্য দুই ধরনের নীতিমালা রয়েছে। প্রথমত প্রেসক্রিপশন ওষুধ যা শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করা বাধ্যতামূলক। যেমন: এন্টি-বায়োটিক এবং জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ। অন্যদিকে সাধারণ অসুস্থ্যতায় প্রাথমিক চিকিৎসার নিমিত্তে কিছু ওষুধ রয়েছে যা চিকিৎসকের নির্দেশনা ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। এই ওষুধ গুলোকে ওটিসি মেডিসিন (OTC – over the counter) বলা হয়।

প্রেসক্রিপশন ওষুধ হোক বা ওটিসি মেডিসিন সব ধরনের ওষুধ সেবনের জন্য রয়েছে মাত্রা বিষয়ক নির্দেশনা যা বয়স অনুযায়ী ভিন্নতর হয়ে থাকে। সুনির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশী পরিমাণে ওষুধ সেবন করা হলে তাকে অতিরিক্ত ওষুধ বলা হয়।

যেমন: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ প্যারাসিটামল ওষুধ গ্রহণের মাত্রা হলো ৪০০০ মিলিগ্রাম। এর চেয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ সেবন করা হলে সেক্ষেত্রে তা শরীরে নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি করে এমনকি তা লিভারকে অকেজো করে দিতে পারে।

 

প্যারাসিটামল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য জানতে এই অনুচ্ছেদটি পড়ুন।

 

সব ওষুধের সর্বোচ্চ গ্রহণের মাত্রা সমান নয়। এমনকি বয়স ভেদে একই ওষুধের মাত্রা ভিন্নতর হয়ে থাকে। ওষুধ সেবনের নিয়ম ও সর্বোচ্চ গ্রহণের মাত্রা সম্পর্কে যথাযথ ভাবে জ্ঞান অর্জন পূর্বক ওষুধ সেবন করতে হবে।

 

অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণ‌ হিসেবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে দায়ী করা যেতে পারে। আর এই বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অতিরিক্ত ওষুধ সেবন এবং তদজনিত জটিলতা এড়ানো সম্ভবপর হবে।

  • ওষুধের মাত্রা সম্পর্কিত অজ্ঞতা
  • একই উপাদান সমৃদ্ধ একাধিক ওষুধ সেবন করা
  • ওষুধের ডোজ ভুলে গেলে পরবর্তী ডোজের সময় দুই ডোজ একসাথে সেবন করা
  • ঔষধি গুণ সম্পন্ন খাবার ওষুধ চলাকালীন সময়ে গ্রহণ করা
  • অসাবধানতাবশত শিশুর বেশি ওষুধ খেয়ে ফেলা
  • দ্রুত রোগ মুক্তির আশায় বোকামি বশত অতিরিক্ত পরিমাণে ওষুধ সেবন করা
  • মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আত্মহত্যার অপচেষ্টা ইত্যাদি

 

অতিরিক্ত ওষুধ সেবনে লক্ষণগুলি কী কী?

অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের জটিলতা ওষুধের ধরন, রোগীর বয়স, লিঙ্গ, স্বাস্থ্যের অবস্থা, শরীরের ওজন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। তবে সার্বজনীন ভাবে যে সমস্ত উপসর্গ গুলো দেখা দিতে পারে তা নিচে উল্লেখ করা হলো। (Ellis, 2020)

  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • মাথাব্যথা হতে পারে
  • শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা
  • পেটে ব্যথা অনুভূত হওয়া
  • খিঁচুনি (convulsions)
  • কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ডায়রিয়া
  • দৃষ্টিভ্রম বা Hallucinations
  • মানসিক উত্তেজনা
  • তন্দ্রা বা জ্ঞান লোপ পাওয়া

 

উপরোক্ত উপসর্গ গুলো দেখা দিলে সাথে সাথে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সাথে কোন ওষুধ সেবনের ফলে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে তা চিকিৎসককে জানাতে হবে যেনো চিকিৎসক খুব সহজেই সেই ওষুধের জন্য সঠিক প্রতিষেধকের (antidote) ব্যবস্থা করতে পারেন।

 

অতিরিক্ত ওষুধ সেবনে যে সব ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন

প্রায় প্রত্যেক ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে তা সহনীয় পর্যায়ে হয়ে থাকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ওষুধ সেবন করা হলে তার দরুন স্বাস্থ্যের উপর মারাত্বক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। সার্বজনীন যে সমস্যা গুলো হতে পারে তা নিম্নরূপ:

  • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
  • শরীরে একই ওষুধের কার্যকারিতা ক্রমাগত কমে যেতে থাকে
  • ওষুধের প্রতি নির্ভরশীলতা সৃষ্টি হতে পারে
  • শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো দুর্বল হয়ে যেতে থাকে
  • খাবারের প্রতি অনীহা দেখা যায়
  • ক্রমাগত স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকে
  • নতুন রোগের সৃষ্টি হতে পারে যাকে Iatrogenic disease বলা হয়

অতিরিক্ত ওষুধ সেবনে যে সব ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন

 

কিছু বিশেষ প্রকৃতির ওষুধ অতিরিক্ত পরিমাণে সেবনের ফলে বিশেষ বিশেষ জটিলতার সৃষ্টি হয়। যেমন:

  • প্যারাসিটামল এর ফলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়
  • ব্যথা নাশক ওষুধ কিডনিকে অকেজো করে দেয়
  • বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে
  • দীর্ঘদিন যাবত গ্যাসের ওষুধ সেবনের ফলে রক্তশূন্যতা ও হাড়ক্ষয় রোগ হতে পারে
  • ঘুমের ওষুধ সেবনের ফলে ক্রমাগত অনিদ্রা বাড়তে থাকে
  • স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে
  • যৌন উত্তেজক (aphrodisiac) ওষুধ সেবন করলে তা স্বাভাবিক যৌন সক্ষমতাকে নষ্ট করে দিতে পারে

 

এন্টিবায়োটিক বেশি খেলে যেসব ক্ষতি হতে পারে

এন্টিবায়োটিক (Antibiotic) হলো এমন একধরনের ওষুধ যা শরীরে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যবহার করা হয়।
এন্টি-বায়োটিক ওষুধের আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানকে অনেক উন্নত করেছে তেমনি এর (antibiotics) অযাচিত ব্যবহার এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স নামক এক প্রকার ভয়াবহ সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স একটি প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে যা যে কোন বয়সের মানুষকে আক্রমিত করতে পারে।
এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কি এবং কেন হয়?

এন্টিবায়োটিক বেশি খেলে যেসব ক্ষতি হতে পারে

 

অপ্রয়োজনে এন্টি-বায়োটিক সেবনের ফলে শরীরের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া গুলো এই শত্রু শক্তিকে (antibiotics) চেনা এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করতে থাকে। যার ফলে পরবর্তীতে যখন আপনার একই এন্টি-বায়োটিক সেবন করা প্রয়োজন, কিন্তু আগে থেকেই শরীরের ব্যাকটেরিয়াগুলো  এই এন্টি-বায়োটিককে চেনে এবং এদের এই এন্টি-বায়োটিকের বিরুদ্ধে পূর্বেই তৈরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকার দরুন এন্টি-বায়োটিক এদেরকে প্রতিহত করতে পারেনা অর্থাৎ সেই এন্টি-বায়োটিক ওষুধ রোগ সারাতে আর কোন কাজে আসেনা। এই অবস্থাকে মেডিক্যালের ভাষায় এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (antibiotic resistance) বলা হয়। এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণ সমূহ:

 

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত নিজে নিজে ফার্মেসি থেকে এন্টি-বায়োটিক কিনে খাওয়া
  • এন্টি-বায়োটিকের সুনির্দিষ্ট কোর্স শেষ না‌ করে রোগের উপশমের সাথে সাথে ওষুধ সেবন বন্ধ রাখা
  • ভাইরাসজনিত রোগে এন্টি-বায়োটিক সেবন করা। (ব্যাকটেরিয়া ব্যতীত ভাইরাস,‌ ছত্রাক ও অন্যান্য অণুজীবের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক কাজ করতে সক্ষম হয় না)
  • অপ্রয়োজনে এন্টি-বায়োটিক সেবন করা অথবা প্রয়োজনের তুলনায় কম/বেশি পরিমাণে সেবন করা
  • এছাড়াও এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সমস্যা টি মা-বাবার থেকে সন্তানের দিকে ধাবিত হতে পারে

 

অতিরিক্ত পরিমাণে এন্টি-বায়োটিক সেবনর সাথে এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের সমানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে।
(Cronan, n.d) অর্থাৎ যত বেশি পরিমাণে এন্টি-বায়োটিক সেবন করা হবে এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হওয়ার সম্ভাবনা তত বেড়ে যেতে থাকে কারণ পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত এন্টি বায়োটিকের পরিমাণ সীমিত।
এর ফলে যে সমস্ত জটিলতর সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

 

  • শিশুদের ঠান্ডা ও জ্বর হলে প্রায়ই এন্টি-বায়োটিক সেবন করানো হয়ে থাকে।
    কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই জ্বর বা ঠান্ডা হয়ে থাকে ভাইরাসজনিত কারণে যেখানে এন্টি-বায়োটিক সেবনে কোন উপকার হয় না বরং পরিপাকতন্ত্রে এক বিশেষ ধরনের (Clostridium difficile বা diff. নামক) ব্যাকটেরিয়ার রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়।
    আর যার দরুন শিশুদের মারাত্বক প্রকৃতির ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে।
  • পরিপাকতন্ত্রের মধ্যে  ১০০ ট্রিলিয়নের বেশি উপকারী ব্যাকটেরিয়া রয়েছে।
    অতিরিক্ত পরিমাণে এন্টি-বায়োটিক সেবনের ফলে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া গুলো মারা যেতে পারে আর যার দরুন হজমে সমস্যা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
  • এন্টি-বায়োটিক সেবনের ফলে ব্যাকটেরিয়া গুলো তাদের মধ্যকার জিন পরিবর্তন করতে থাকে।
    আর এই প্রক্রিয়ায় অনেক সময় শরীরের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া গুলো পরিবর্তন হয়ে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াতে রুপান্তরিত হতে পারে।
  • এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণে গনোরিয়া (Sexual Transmitted Diseases) রোগের চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটে যার ফলে বংশানুক্রমে এই রোগের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে।
  • সর্বোপরি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং ওষুধের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা কমে যায়।
    আর যার দরুন চিকিৎসা ক্ষেত্রে আরো শক্তিশালী ও উন্নত ওষুধের প্রয়োজন পড়ে যা চিকিৎসা খরচ অনেকাংশেই বাড়িয়ে দেয়।
  • যখন কোন একটা রোগের জন্য একটি নির্দিষ্ট এন্টি-বায়োটিক প্রয়োজন কিন্তু এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণে তা শরীরে কাজ করবে না, ফলে সব কিছু এভেইলএবল থাকার ফলেও আপনার চিকিৎসায় সঠিক ওষুধের অভাব হতে পারে।

 

এন্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের প্রভাব শিশু বাচ্চাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
আর তাই এ ব্যাপারে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন ও নিম্নলিখিত নির্দেশনা গুলো মেনে চলতে হবে।

  • শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টি-বায়োটিক ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।
  • ওষুধ সঠিক সময়ে সেবন করতে হবে। সেই সাথে ওষুধ সেবনের মধ্যেকার দূরত্ব অবশ্যই নির্দিষ্ট হতে হবে। কারণ এন্টি-বায়োটিক একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করে আর তাই সেই অনুযায়ী ডোজ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
  • ভাইরাস বা ছত্রাক জনিত রোগের চিকিৎসায় এন্টি-বায়োটিক সেবন করা যাবে না।

ওষুধ যেমন অসুস্থ্যতা দুর করে সুস্থ্য থাকতে সহায়তা করে তেমনি এর অপব্যবহার বা অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শরীরে নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি হয়। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ওষুধ সৃষ্ট নতুন রোগের সৃষ্টি হতে পারে যার চিকিৎসা পাওয়া দুষ্কর। আর তাই ওষুধ সেবনের পূর্বে ওষুধের মাত্রা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান অর্জন এবং সর্বোপরি সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরী।

 

Last Updated on February 9, 2022

Was this article helpful?
YesNo